Avocado
WeatherClouds(overcast clouds)

23

°C
Weather2.2mph
Weather96%
Weather30%
23°Weather
Weather23°
23
°C
Weather
Mon
23
°C
Weather
Tue
22
°C
Weather
Wed
20
°C
Weather
Thu
19
°C
Weather
Fri

কৃত্রিমভাবে মোটাতাজা করা গরু চিনবেন যেভাবে

পবিত্র কোরবানির ঈদে দেশে প্রায় এক কোটি গরু, ছাগল, মহিষ ও ভেড়া কোরবানি দেওয়া হয়। এর প্রায় ৭০ শতাংশই গরু। গরুর বয়স ন্যূনতম দুই বছর হলে সেটি কোরবানির জন্য উপযুক্ত বলে বিবেচিত হয়। এ ক্ষেত্রে গরুর দাঁত দেখে বয়স যাচাই করে নিতে হয়। গরুর নিচের পাটিতে যদি দুধদাঁতের পাশাপাশি সামনে অন্তত দুটি কোদালের মতো স্থায়ী দাঁত থাকে, তাহলে বুঝতে হবে গরুটি কোরবানির উপযুক্ত।

সবাই চান সামর্থ্য অনুযায়ী মোটাতাজা একটি গরু কোরবানি দেবেন। অনেক সময় গরু মোটা পাওয়া যায় ঠিকই, কিন্তু ‘তাজা’ পাওয়া যায় না। কারণ, কৃত্রিমভাবে গরু মোটাতাজা করা হয়। বেশি মুনাফার আশায় স্টেরয়েড ব্যবহারসহ নানাভাবে গরু দ্রুত মোটাতাজা করা হয়। সেসব গরুর মাংস স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর। তবে কিছু বিষয় জানা থাকলে সুস্থ এবং ওষুধ খাইয়ে মোটাতাজা করা পশু চেনা যায়। আসুন এ বিষয়ে চোখ বোলানো যাক:

আঙুলের চাপে মাংস দেবে যাওয়া: কৃত্রিম উপায়ে মোটাতাজা করা গরুর গায়ে আঙুল দিয়ে চাপ দিলে ওই স্থানের মাংস দেবে যাবে এবং দেবে যাওয়া অংশ আবার স্বাভাবিক হতে অনেক সময় লাগবে। কিন্তু বৈজ্ঞানিক উপায়ে বা স্বাভাবিকভাবে মোটা করা গবাদিপশুর ক্ষেত্রে দ্রুতই মাংস স্বাভাবিক হয়।

দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণ: কৃত্রিম উপায়ে মোটাতাজা করা গরু দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণ করে। একটু হাঁটলেই হাঁপায়। খুবই ক্লান্ত দেখায়। শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণের সময় যদি শব্দ হয়, তাহলে এ ধরনের গরু না কেনাই ভালো।

রানের মাংস: গরুর পেছনের রানের মাংস পরীক্ষা করলে একটু ধারণা পাওয়া সম্ভব। ইনজেকশন দেওয়া গরুর রানের মাংস নরম হয়। স্বাভাবিকভাবে যেসব গরু মোটা হয়, সেগুলোর রানের মাংস শক্ত হয়।

লালা বা ফেনা: যেসব গরুর মুখে কম লালা বা ফেনা থাকে, সেই গরু কেনার চেষ্টা করুন। এগুলো কৃত্রিম উপায়ে মোটা করা পশু নয়।

খুব শান্ত: গরু একটু চটপটে থাকে। কৃত্রিম উপায়ে মোটাতাজা করা গরু শরীরে পানি জমার কারণে নড়াচড়া একটু কম করে। এক জায়গায় বসে থাকে। এসব ক্ষেত্রে গরুকে বসা থেকে উঠিয়ে হাঁটিয়ে দেখতে হয়।

খাবার: গরুর মুখের সামনে খাবার ধরলে যদি নিজ থেকে জিব দিয়ে খাবার টেনে নিয়ে খেতে থাকে, তবে বোঝা যাবে গরুটি সুস্থ। যদি অসুস্থ হয়, তবে সে খাবার খেতে চায় না।
নাকের ওপরটা ভেজা: সুস্থ গরুর নাকের ওপরটা ভেজা ভেজা থাকে। সুস্থ গরুর পিঠের কুঁজ মোটা ও টান টান হয়।

পা ও মুখ ফোলা: ইনজেকশন দিয়ে কিংবা ওষুধ খাইয়ে মোটা করা গরুর পা ও মুখ ফোলা থাকবে, শরীর থলথল করবে, অধিকাংশ সময় এই গরু ঝিমাবে, সহজে নড়াচড়া করবে না।

হাড় বেরিয়ে পড়া: হাটে যাওয়ার পর উষ্কখুষ্ক, চামড়ার ওপর দিয়ে হাড় বেরিয়ে পড়া পশু কিনতে চেষ্টা করুন। এগুলো কোনো রকম কৃত্রিম উপায় ছাড়াই বাজারে সরবরাহ করা হয়।

তাপমাত্রা: গরুর শরীরে হাত দিয়ে তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি মনে হলে বুঝতে হবে গরুটি অসুস্থ।

পাঁজরের হাড়: সুস্থ গরুর চামড়ার ওপর দিয়ে কয়েকটা পাঁজরের হাড় বোঝা যাবে।
দিনের আলো থাকতে থাকতেই গবাদিপশু কেনা উচিত। রাতের বেলা গরুর এতগুলো বিষয় ঠিকঠাক যাচাই করা সম্ভব না-ও হতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked*